মানুষের শরীরে প্রথম মাংসখেকো কীট শনাক্ত, আক্রান্তের পরিচয় গোপন রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকরা মানুষের শরীরে বিরল এক মাংসখেকো পরজীবী শনাক্ত করেছেন—যা আগে কেবল প্রাণীদের দেহে দেখা যেত। রোগীর পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত বিরল হলেও জনস্বাস্থ্যের জন্য সতর্কবার্তা।
প্রকাশনা: আজ · স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ডেস্ক

কি ঘটেছে?
যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসকরা মানুষের শরীরে প্রথমবারের মতো এমন একটি পরজীবী শনাক্ত করেছেন, যা আগে শুধু প্রাণীদের দেহে দেখা যেত। রোগীর টিস্যু নমুনা পরীক্ষায় পরজীবীর উপস্থিতি নিশ্চিত হয়। গোপনীয়তা নীতির কারণে আক্রান্ত ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
- অত্যন্ত বিরলমানুষে এ ধরনের সংক্রমণের প্রমাণ আগে ছিল না।
- জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিসংক্রমণের পথ, প্রাণঘাতিতা ও ছড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
- গবেষণার সুযোগপরজীবীর গঠন, আচরণ ও জীবনচক্র বোঝা গেলে প্রতিরোধ ও চিকিৎসা পরিকল্পনা সহজ হবে।
ডাক্তাররা কী বলছেন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘটনার বিরলতা সত্ত্বেও সতর্ক থাকতে হবে। জীবাণু বা পরজীবী প্রাণী-মানুষ সংযোগে প্রজাতি বাধা অতিক্রম করলে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা দেখা দিতে পারে। ল্যাবরেটরিতে পরজীবীর মরফোলজি ও জেনেটিক বিশ্লেষণ চলছে।
লক্ষণ ও সতর্কতা
- অস্বাভাবিক ক্ষত, ফুলে যাওয়া বা ব্যথাযুক্ত জায়গায় টিস্যু ক্ষয়।
- জ্বর, অবসাদ, স্থানীয় প্রদাহ বা পুঁজ জমা।
- এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত সংক্রামক রোগ/ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রতিরোধে যা করতে পারেন
- কাঁচা/আধসেদ্ধ মাংস ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্য এড়িয়ে চলা।
- প্রাণীর সংস্পর্শে গেলে হাত ধোয়া ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা মানা।
- ক্ষতস্থানে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও স্ব-চিকিৎসা না করা।
দায়স্বীকার: এই প্রতিবেদনটি চলমান পরীক্ষাগার বিশ্লেষণের প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। চিকিৎসা-সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সর্বদা নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
প্রশ্নোত্তর
এটা কি ছোঁয়াচে?
এখনো নিশ্চিত নয়। সংক্রমণের পথ ও ঝুঁকি নির্ণয়ে গবেষণা চলছে।
কীভাবে বোঝা যাবে?
অস্বাভাবিক ক্ষত/টিস্যু ক্ষয় হলে বায়োপসি ও ল্যাব টেস্টে শনাক্ত হয়।
চিকিৎসা কী?
প্রজাতিভেদে অ্যান্টিপ্যারাসিটিক ওষুধ/সার্জিকাল ডেব্রাইডমেন্ট নির্ধারিত হয়—ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।